দিল্লিতে আটক কেজরিওয়াল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ৫ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত

Published: October 10, 2026, 4:50 pm

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভের সময় আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আনন্দবাজার পত্রিকার তথ্যানুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তার সঙ্গে আটক তৃণমূলের অন্যান্য নেতাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে দিল্লির জাফরপুর কালান পুলিশ স্টেশন থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে, নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এই আন্দোলন ঠেকাতে নরেন্দ্র মোদির সরকার কঠোর অবস্থান নিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারসহ প্রায় ৫ হাজার মানুষকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ককরোচ পার্টির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাসহ অনেক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। এছাড়া অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যা তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন।

বিক্ষোভ দমনে ভারত সরকার দিল্লিগামী ট্রেন, মেট্রো ও বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল। যন্তরমন্তরে কোনো ধরনের অবস্থান কর্মসূচি যেন সফল না হয়, সেজন্য পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়। দিল্লির দোকানপাট বন্ধ রাখার পাশাপাশি সংবাদ সংগ্রহের সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককেও আটকের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত চলমান ধরপাকড়ে প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল। ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি ভোটারকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy