রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ছাড়পত্র

Published: October 29, 2026, 12:55 pm

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এদিকে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম জানিয়েছে যে, তারা রূপপুর কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রারম্ভিক লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে। রোসাটমের ফুয়েল ডিভিশনের অধীনস্থ নাভআসিবিরস্ক কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেট প্ল্যান্টে তৈরি এই জ্বালানি অ্যাসেম্বলির প্রথম চালানটি বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। এর আগে প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রেশ জ্বালানির চালানও সাইবেরিয়া থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে।

প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পর জ্বালানি কন্টেইনারগুলো নির্দিষ্ট ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল সংরক্ষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জ্বালানি অ্যাসেম্বলিকে বাধ্যতামূলক ভিজুয়াল এবং ইন্সট্রুমেন্টাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ, জেনারেল কনট্রাক্টর এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারকের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ কমিশন কঠোরভাবে এই পরিদর্শন পরিচালনা করবে।

এর আগে ২০২৬ সালে রোসাটমের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কোরে পারমাণবিক জ্বালানির প্রারম্ভিক লোডিং সম্পন্ন করে এবং রিঅ্যাক্টরটি সর্বনিম্ন নিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি স্তরে পৌঁছায়। জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর আগে ইউনিটটিকে পাওয়ার অ্যাসেনশন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ার নকশাকৃত দুটি জেনারেশন ৩+ ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর রয়েছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh