কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার রহস্য উদঘাটন

Published: October 10, 2026, 6:15 am

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া এই কিশোরীকে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। শনিবার সকাল ১০টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশে তাজমিনের মরদেহ পড়ে থাকার সংবাদ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পাওয়া যায়। খবর পাওয়ার পর লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের বাবা তাজমিনের পরিচয় শনাক্ত করেন। নিহত জান্নাতুল তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাড়ি যশোর জেলায় হলেও বাবার চাকরির সুবাদে সে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করত।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় লালমাই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ঘটনার পরের দিন, ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাজমিন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে রেসকোর্সের বাসায় ফেরার জন্য সুমন মিয়ার সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে। তাদের মধ্যে ৩০০ টাকায় ভাড়া ঠিক হয়। অটোরিকশায় ওঠার পর কিছুদূর গিয়ে তাজমিন ১০০ টাকা দিয়ে চালককে কলা ও রুটি কিনে আনতে বলে। এরপর সুমন তাকে সংক্ষিপ্ত পথে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে চাঁদপুরগামী সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায় এবং সেখানেই তাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin