দিল্লির ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, ইন্টারনেট চালুর তাগিদ

Published: October 11, 2026, 8:02 am

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভের প্রথম দিন শনিবার দিল্লি অচল করে দেওয়া হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সবগুলো প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত স্পষ্ট করেছে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না।

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বিশেষ বেঞ্চ রোববার এক শুনানিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়, রাজধানীতে অবাধ চলাচলের ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে হবে। বিচারপতিরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেবল প্রয়োজন হলেই বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে। এছাড়া ‘অত্যন্ত জরুরি’ না হলে সব ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী ইন্টারনেট পরিষেবা অব্যাহত রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার আদালত কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল, ১০ অক্টোবর দিল্লিতে আসা মেট্রো ও ট্রেন চলাচলের ওপর যেন কোনো ‘সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ না থাকে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে, মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা আবেদনকারী ও আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন। আদালত জানিয়েছে, মানুষের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার রয়েছে, তবে তা অবশ্যই ‘পুলিশ আইন’-এর আওতাভুক্ত হতে হবে। বিচারপতি বাগচী আবেদনকারীকে বলেন, বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আটক-সংক্রান্ত ঘটনা ও পরিস্থিতির বিষয়ে নোটিশ জারি করেছে। মঙ্গলবার নাগাদ এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin