মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

Published: October 9, 2026, 4:17 am

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফট ও অ্যাডোবিসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আটটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের গ্রিন কার্ডের আবেদন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় কর্মীদের কর্মসংস্থান রক্ষা এবং জালিয়াতি রোধের অংশ হিসেবে এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

স্থগিতাদেশের আওতায় থাকা অন্যান্য বড় আইটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ক্যাপজেমিনি। শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং জানিয়েছেন, এখন থেকে নতুন কোনো স্থায়ী লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং বিবেচনাধীন আবেদনগুলোও স্থগিত থাকবে। অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য বলছে, ২০২৬ অর্থবছরে আমাজন, টিসিএস, ইনফোসিস, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট ছিল এইচ-ওয়ানবি ভিসার শীর্ষ আবেদনকারী।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ছয় হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করার বিপরীতে ছয় হাজার ৩০০টি এইচ-ওয়ানবি ভিসা এবং প্রায় তিন হাজার কর্মীর গ্রিন কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করেছে। তিনি দাবি করেন, মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার কেউ করেনি।

জবাবে মাইক্রোসফট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত অর্থবছরে তাদের এইচ-ওয়ানবি আবেদনের প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল বিদ্যমান কর্মীদের মেয়াদ বৃদ্ধি বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য, নতুন বিদেশি কর্মী নেয়ার জন্য নয়। প্রতিষ্ঠানটি আরও দাবি করে যে, তারা স্থানীয় ও বিদেশি সব কর্মীকে সমান পারিশ্রমিক প্রদান করে থাকে।

এদিকে, আইটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও তদন্তের খড়গ নামিয়ে এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এক্সচেঞ্জ-ভিজিটর ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগে হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড, ব্রাউন ও এমআইটিসহ শীর্ষ নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে শিক্ষাবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষক কমে গেলে মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেন, মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার কেউ করেনি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ৬ হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করার বিপরীতে ৬ হাজার ৩০০ এইচ-ওয়ানবি (ঐ-১ই) ভিসা এবং প্রায় ৩ হাজার কর্মীর গ্রিন কার্ডের সুবিধা নিয়েছে।

এদিকে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও তদন্তের খড়গ নামিয়ে এনেছে প্রশাসন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড, ব্রাউন ও এমআইটিসহ শীর্ষ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এক্সচেঞ্জ-ভিজিটর ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin