রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কেবল পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়াকে একটি 'সেইফ এক্সিট' বা নিরাপদ প্রস্থান তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, অতীতে জনগণ বিএনপির তথাকথিত বহিষ্কার নাটকের পুনরাবৃত্তি দেখেছে। গুরুতর কোনো অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের রাজনৈতিক কৌশল আর মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সরকারকে আন্তরিকতার প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ মানুষ পুরো বিষয়টিকে কেবল জনরোষের মুখে একটি রাজনৈতিক স্যাক্রিফাইস এবং পিআর স্টান্ট হিসেবেই বিবেচনা করবে।
সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা অসংলগ্ন ও স্ববিরোধী বক্তব্য প্রদান করে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন।
বিবৃতিতে ডাকসু ভিপি অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা ক্লিনিকটি পুনর্নির্মাণ করে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পুনরায় চালু করার দাবি জানান। একই সঙ্গে, সারা দেশে সরকারি দলের নির্বাচিত এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা দখলদারি ও চাঁদাবাজির রাজনীতির লাগাম টেনে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।





