শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন নামে চার বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১টার দিকে শিধলকুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম আদাসন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত সোয়াইফ হোসেন ওই এলাকার সেলিম সরদারের সন্তান। ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ঘটনায় রাসেল শিকদার নামে একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে খেলতে গিয়ে শিশু সোয়াইফ নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশী আবু আলম শিকদারের বসতঘরের পেছনের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির বাবা সেলিম সরদার জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আবু আলম শিকদারের ঝগড়া হয়। বিষয়টি রাতে তার মা তাকে জানালেও তিনি গুরুত্ব দেননি। শনিবার সকালে তিনি বাজারে গেলে ফিরে এসে সন্তানকে আর খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি দাবি করেন, তার সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) শামসুল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম আদাসন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত সোয়াইফ হোসেন (৪) ওই এলাকার সেলিম সরদারের ছেলে।





