সোমবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের মৌসুম শেষ হতে যাচ্ছে। অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণার অপেক্ষায় এখন বিশ্ব। সুইডেনের স্টকহোমে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট) এই ঘোষণা আসবে। এর তিন দিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, যার ফলে একই ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য আবারও পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন এএফপির সঙ্গে কথা বলা বিশেষজ্ঞরা।
ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্সের অর্থনীতির অধ্যাপক রিচার্ড টলের মতে, নোবেল কমিটির মধ্যে বিভিন্ন পক্ষের দর-কষাকষির বিষয়টি স্পষ্ট। তিনি জানান, কমিটি এবার আচরণগত অর্থনীতির পথিকৃৎ যুক্তরাষ্ট্রের কলিন ক্যামেরার ও জর্জ লোয়েনস্টেইনকে পুরস্কার দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে ম্যাট রবিনও যুক্ত হতে পারেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্ল্যারিভেটের ডেভিড পেন্ডলবারি মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে মাইকেল উডফোর্ডকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ক্ষেত্রটি দীর্ঘ সময় ধরে স্বীকৃতি পায়নি। সাধারণত নোবেল কমিটি কোনো গবেষণার ২০ থেকে ২৫ বছর পর সেটিকে স্বীকৃতি দেয়, আর উডফোর্ডের উল্লেখযোগ্য কাজ ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় নেওয়ার কারণ হিসেবে গবেষণার দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্ব ও স্থায়িত্ব মূল্যায়নের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি কাজ করে। তবে কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্টেন পেডারসেনের মতে, নোবেল কমিটি সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রবণতা ও সমাজের বড় প্রশ্নগুলোর দিকেও নজর রাখে।
টলের তৈরি একটি মডেল অনুযায়ী, উন্নয়ন অর্থনীতির ক্ষেত্রে টিম বেসলি, গুইদো তাবেলিনি এবং ডেইড্রে ম্যাকক্লস্কি সম্ভাব্য তালিকায় আছেন। এছাড়া তথ্য ও নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে স্যানফোর্ড গ্রসম্যান ও ম্যাথিউ জ্যাকসন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে রবার্ট ব্যারো, ডেভিড ওয়েইল ও জিল সাঁ-পল পুরস্কারের দাবিদার হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।





