মাঠের বাইরের আইনি লড়াই ও অর্থনৈতিক বিতর্কের উত্তাপের মধ্যেই অ্যানফিল্ডে ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুলের মধ্যকার লড়াইটি ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা দুই দলই সমানে সমান লড়াই চালিয়ে যায়। তবে ৬২ মিনিটে লিভারপুলের ডাচ মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবারখ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড পাওয়ার পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। তার বিদায়ের পর ১০ জনের লিভারপুলের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে সিটিজেনরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে লিভারপুল আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আর্লিং হালান্দ, ইলিয়ট অ্যান্ডারসন ও জেরেমি ডোকুর সমন্বয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রথমার্ধটি গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়। তবে গ্রাভেনবারখ মাঠ ছাড়ার পর লিভারপুলের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। ৬৫ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ডোকুর তৈরি করা সুযোগ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফার্স্ট-টাইম ফিনিশিংয়ে গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন হালান্দ।
লিড পাওয়ার পর সিটি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। গোল করার তিন মিনিটের মাথায় বাঁ প্রান্ত দিয়ে ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে চমৎকার এক শটে ব্যবধান ২-০ করেন ডোকু। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে চলতি মৌসুমের অন্যতম সেরা গোলটি দেখা যায়। দীর্ঘ দুই মিনিট বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ম্যারেস্কার শিষ্যরা একটি নিখুঁত আক্রমণ সাজায়। রায়ান চেরকি ও ইয়োস্কো ভার্দিওলের পাসিং বোঝাপড়ার পর অ্যান্ডারসনের সহায়তায় লিভারপুলের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়ান চেরকি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।





