প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৫৭। ১১ দলীয় জোটের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চে অংশ নিতে যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতরা হলেন জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবী। তাদের মধ্যে আব্দুস সবুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জেলা জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা অতিক্রম করার পর আব্দুস সবুর জোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি কর্মী পারভেজ, আলামিন ও হাসানের নেতৃত্বে একদল কর্মী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। জামায়াত নেতাদের দাবি, সকাল থেকেই বিএনপির কর্মীরা গাড়িবহরে হামলার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে গাড়িবহর চলে গেলে লংমার্চে অংশ নিতে আসা লোকজনের ওপর তারা পরিকল্পিতভাবে এই বিচ্ছিন্ন হামলা চালায়। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সরাসরি দায়ী করা হয়েছে।
তবে জামায়াতের এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিক সরকার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের অভিযোগ সত্য নয়। বরং উল্টো জামায়াতের নেতাকর্মীরাই তাদের আল আমিন নামে এক কর্মীকে মারধর করেছেন, যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী রয়েছে। তার দাবি, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই জামায়াত নেতারা এমন মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, এটি তাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি শুনেছেন এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





