বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের জেরে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দেড় শতাধিক পোশাক কারখানা সোমবারের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল থেকেই গাজীপুরের কোনাবাড়ী, মৌচাক, পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা, ভোগড়া, নাওজোর ও সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভের এক পর্যায়ে শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখলে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নাওজোর এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে এবং সফিপুর এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে নামেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শ্রমিকরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে কয়েকজন সাংবাদিক ও বিজিবির একজন সদস্য আহত হয়েছেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, দুপুর নাগাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা। বেতন বৃদ্ধি, অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। দুপুর থেকেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।





