ফ্রান্সজুড়ে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। আন্দোলন দমনে শনিবার অন্তত ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্যের বরাত দিয়ে বিবিসির এক লাইভ প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ রোধে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে দেশজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। রাজধানী প্যারিসে বিক্ষোভ শুরুর আগেই অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গ্যাস মাস্ক উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পুলিশ দাবি করে, শহরের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে পুলিশের এমন তৎপরতার মধ্যেও রাজধানীসহ একাধিক নগরে তীব্র রাজনৈতিক অসন্তোষ ও ক্ষোভ দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দেশটির অন্তত তিনটি শহরে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্যারিসসহ বিভিন্ন স্থানে সান্ধ্য আইন বা কারফিউ জারি, জনসমাবেশে বিধিনিষেধ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। তবে ক্ষেত্রবিশেষে শর্তসাপেক্ষে কিছু এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি ছিল।
এর আগে গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সে বড় ধরনের দাঙ্গা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় হাজার হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই সময় প্রায় ২,৭০০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করেছিল পুলিশ। ওই সহিংস ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়ানো হলেও শেষ পর্যন্ত ক্ষুব্ধ নাগরিকদের রাজপথ থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়নি।
ওই সময় ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।





