সাভারে টিম গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনে নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী

Published: October 12, 2026, 5:23 pm

নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট সোমবার সাভারে অবস্থিত টিম গ্রুপের পোশাক কারখানা ফোরএ ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন। সফরকালে তিনি কারখানার পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং শ্রমিকদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিনিধি দলটিকে স্বাগত জানান টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফরোজা শাহীন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আবদুল্লাহ হিল নাকিব। স্টিভেন কোলেটের সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন নেদারল্যান্ডসের টেকসই উন্নয়নবিষয়ক রাষ্ট্রদূত ওয়াম্পি লিবন, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল, সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হুসেইন, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সেলিম রেজা হাসান, বাংলাদেশে ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ম্যানেজার বাবলুর রহমান এবং অ্যাওয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মুইদ হাসান।

টিম গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিনিধি দলটি কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, শ্রমিকদের জন্য ন্যায্যমূল্যের দোকান এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগ ঘুরে দেখেছে। উল্লেখ্য, ফোরএ ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) লিড প্লাটিনাম সনদপ্রাপ্ত একটি কারখানা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের প্রথম আউটারওয়্যার পোশাক উৎপাদনকারী কারখানা হিসেবে জাতিসংঘের ‘ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি চার্টার ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন’-এ স্বাক্ষর করেছে।

পরিদর্শন শেষে নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরও বলেন, ফোরএ ইয়ার্ন ডায়িং যেভাবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ করছে, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সেইসব কারখানার ওপর, যারা দায়িত্বশীল উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বজায় রাখতে সক্ষম।

টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা শাহীন বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি আরও যোগ করেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যের পরিবর্তিত নিয়ম ও জ্বালানিসংকটের সময়ে টেকসই উৎপাদনে বিনিয়োগই আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান কী অর্জন করতে পারে, তা তুলে ধরতে পেরে তিনি গর্বিত বলে জানান।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo