একটি পরিবারের বসবাসের ঠিকানা নির্বাচন জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ১৯৯৫ সালে আবাসন খাতে যাত্রা শুরু করে আরবান ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। তিন দশকের বেশি সময়ের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি ১২৫টিরও বেশি প্রকল্প সফলভাবে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে নির্মাণাধীন প্রকল্পসহ তাদের মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১৭৫টি। প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ৫ হাজারের বেশি গ্রাহকের আস্থাই তাদের সাফল্যের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি।
এই প্রতিষ্ঠানের নেপথ্যে রয়েছেন উদ্যোক্তা নাজীম উদ্দিন আহমেদ। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) থেকে এমবিএ ও এমফিল ডিগ্রিধারী নাজীম উদ্দিনের লক্ষ্য ছিল এমন আবাসন তৈরি করা, যেখানে পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে থাকতে পারে। সময়ের পরিবর্তনে নতুন প্রজন্মের গ্রাহক যুক্ত হলেও নির্মাণের সর্বোচ্চ মান, স্বচ্ছতা ও প্রতিশ্রুতির প্রতি দায়বদ্ধতা আজও তাদের কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
নাজীম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বেই গড়ে ওঠে পণ্ডুঘর গ্রুপ। এই গ্রুপের ব্যবসার অংশ হিসেবে রয়েছে পোলার আইসক্রিম, ড্যান কেক, রুট টু মার্কেট, অরবিট টেকনোলজিস এবং শতভাগ রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইন্টারস্টফ ও এসএফএম। গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরবান দীর্ঘমেয়াদি পেশাদার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা, ইন্দিরা রোড, মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া, আদাবর, উত্তরা ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তাদের প্রকল্প রয়েছে।
আরবানের কর্মকর্তাদের মতে, প্রকল্পের সংখ্যা বা ভবনের আকারই সাফল্যের একমাত্র সূচক নয়; বরং জমির মালিক ও গ্রাহকদের দীর্ঘমেয়াদি সন্তুষ্টিই তাদের মূল অর্জন। অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তরকে তারা সম্পর্কের শেষ মনে করে না, বরং আজীবন গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সঙ্গে গ্রাহকের নিরাপত্তা, সঞ্চয় ও স্বপ্নের বিষয়টি জড়িত—এই উপলব্ধি থেকেই বিক্রয় পরবর্তী সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি প্রকল্প ও সেবা পাঁচটি মূল স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে: বিশ্বাস, গুণমান, অঙ্গীকার, স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা। দক্ষ প্রকৌশলী ও মানসম্মত নির্মাণসামগ্রীর সমন্বয়ে নকশা থেকে শুরু করে হস্তান্তর পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে এই মানদণ্ড বজায় রাখাই আরবানের কাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য।





