৯৯ শতাংশ প্রকল্প সময়মতো হস্তান্তর করেছে শেলটেক

Published: October 13, 2026, 3:03 am

প্রায় চার দশকের পথচলায় কেবল ভবন নির্মাণ নয়, বরং নগরজীবনের মানোন্নয়নে কাজ করে আসছে আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেক। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ৩৮ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ৪ হাজার ৬৫০টির বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস সফলভাবে ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। শেলটেকের ভাষ্যমতে, তাদের মোট প্রকল্পের ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশই ‘সময়মতো’ হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে, যা তাদের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।

প্রতিটি প্রকল্পে দীর্ঘস্থায়ী মূল্য, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। পেশাদারত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি মান ব্যবস্থাপনায় আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদ অর্জন করেছে। পরিবেশবান্ধব চর্চা ও গ্রিন ডিজাইনের নীতি অনুসরণ করে তারা বড় বড় আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলছে, যার লক্ষ্য একটি উন্নততর শহর ও টেকসই নগর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।

শেলটেকের আবাসন প্রকল্পগুলো ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা ডিওএইচএস, বসুন্ধরা, উত্তরা, জোয়ার সাহারা, নিউ ইস্কাটন, আদাবর, মগবাজার, মালিবাগ, তেজগাঁও, কাকরাইল, মিরপুর রোড, বনশ্রী ও জলসিঁড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত। এছাড়া চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও দক্ষিণ খুলশীতেও তাদের প্রকল্প রয়েছে এবং নতুন নতুন প্রকল্প যোগ করার কাজ চলছে। প্রকল্পের অবস্থান, আয়তন, তলা, পার্কিং ও পরিশোধপদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এসব প্রকল্পের মূল্য নির্ধারিত হয়।

বর্তমানে আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমিতে ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্টের একটি কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প ‘শেলটেক উইন্ডফ্লাওয়ার’ গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ২০২৮ সালের মার্চ মাসে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসন ছাড়াও বাণিজ্যিক খাতেও শেলটেকের বিশেষ নজর রয়েছে। তেজগাঁওয়ের লাভ রোডে ১৪ তলা বিশিষ্ট ‘ভিঞ্চিয়া শেলটেক টাওয়ার’ নির্মাণাধীন রয়েছে, যা ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে। পাশাপাশি বনশ্রী এলাকায় ১৭ তলা আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স ‘শেলটেক লিগ্যাসি প্লাজা’ এবং জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় ২১টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, ভবন নির্মাণের চেয়েও বড় বিষয় হলো গ্রাহকদের আস্থা অর্জন ও তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখা, যার ওপর ভিত্তি করেই শেলটেক তাদের পথচলা অব্যাহত রেখেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo