আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কথা পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে আগেই নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা ছিল। এর পরের দিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। এখন নতুন করে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হবে।
তবে এই ছুটির বিপরীতে একটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। টানা পাঁচ দিনের ছুটি শুরুর আগের শনিবার অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর সরকারি অফিস খোলা থাকবে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার তথ্যমতে, এই ছুটি সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি সব ধরনের অফিসের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।
তবে জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই ছুটি কার্যকর হবে না। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব খাতের যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন। এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে। ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট পৃথক নির্দেশনা প্রদান করবে, যা প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে সাধারণ ছুটি পালিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে এই দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।





