জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সামগ্রিক বিচারে সার্থক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফর নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সফরটি নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সফরকালে বিভিন্ন সভা ও বৈঠকে অংশগ্রহণকারী আন্তর্জাতিক অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। দীর্ঘ সময় পর জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সম্মানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
চার দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান, ৭টি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য রাখা, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক ও ইরানের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি, ভুটান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির প্রধানমন্ত্রী এবং কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এছাড়া সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘের মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, শরণার্থী ও মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, মিয়ানমার সংক্রান্ত বিশেষ দূত, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও, বোয়িং গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী এবং ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন।





