মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে পাস করেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছিল। খাতা মূল্যায়নে অবহেলার কারণে এমনটি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এসব শিক্ষকের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিগগির এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে তিনি জানান, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে অনলাইনে বদলির ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং বদলির ফাইল নিয়ে কাজ চলছে। যেসব শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করতে হবে এবং যারা সংযুক্তিতে রয়েছেন, তাদের বিষয়টিও নিষ্পত্তি করা হবে।
প্রাথমিক নিয়োগের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ৮১৭ জন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগপত্র পাওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের তথ্য পর্যালোচনা ও যাচাইয়ের কাজ চলবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন যাচাই করা হচ্ছে। এ সময় অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য আসায় তা যাচাই করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাউশি মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





