জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে দেশের তরুণদের জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ যৌথ পার্টনার সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাপানে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো সহজ করার লক্ষ্যে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক কেবল প্রাতিষ্ঠানিক নয়, বরং এটি গভীর বন্ধুত্বের। দুই দেশের মধ্যকার এই বন্ধন আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করতে পারস্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, জাপানি ভাষা শেখার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ও জাপানের শাসনব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর তুলনামূলক পার্থক্য তুলে ধরে মঈন খান বলেন, দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন। গণতান্ত্রিক চর্চা ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কাঠামোগত ভিন্নতা রয়েছে। এ সময় তিনি দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বৃদ্ধি, তাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং জাপানি ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ যৌথ পার্টনার সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। জাপানে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো সহজ করতে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।





