জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে নিউইয়র্কের রাজপথে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। গাজায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভের জেরে নিউইয়র্ক পুলিশ ১০৩ জনকে আটক করে, যদিও পরবর্তীতে তাদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভের কারণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর ভাষণের আগে ‘ফার্স্ট অ্যাভিনিউ’-এর একটি বড় অংশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। জেভিপি এবং ‘এনওয়াইসি-ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ (এনওয়াইসি-ডিএসএ) যৌথভাবে এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আটককৃতদের মধ্যে নয়জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে নিউইয়র্কের ১৩তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের ডেমোক্রেটিক প্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়েরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, গাজা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন চলমান থাকবে।
এদিকে জাতিসংঘের ভাষণে নেতানিয়াহু গাজায় গণহত্যার সকল অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এই অভিযোগগুলোকে ‘শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন। ভাষণে তিনি নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির তীব্র সমালোচনা করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মামদানি নেতানিয়াহুর বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেন এবং গাজায় ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডের নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৪২আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ০০
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন বলে আয়োজকেরা জানান। তাদের মধ্যে নিউইয়র্কের ১৩তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের ডেমোক্রেটিক প্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়েরও ছিলেন।





