প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে আসছেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো খুলনা শহরকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি। রূপসার কুদির বটতলা থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত রয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন দেয়ালে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ, সমৃদ্ধ মোংলা বন্দর এবং এ অঞ্চলের গুণী শিল্পী ও বিজ্ঞানীদের বাহারি গ্রাফিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
সফরকালে বিকাল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশের ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)' এর উদ্বোধন করবেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান জানান, এই আসরে অংশগ্রহণের জন্য এরইমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রথম আসরের তুলনায় অনেক বেশি। এবারের আসরে ১০টি ইভেন্ট থাকছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের ক্রীড়াক্ষেত্রকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং যুবসমাজ সঠিক পথে পরিচালিত হয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বন্ধ মিল-কারখানা পুনরায় চালু করে হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান, শিল্পায়নের প্রসার এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। এছাড়া মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে খুলনা অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, খুলনা আবারো তার পুরোনো 'স্পোর্টস সিটি'র গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরে পাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





