ভারতের নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানি ও আটকের শিকার হওয়া বেশ কয়েকজন সাংবাদিক মঙ্গলবার তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে গত কয়েক দিনে কয়েক ডজন সাংবাদিক পুলিশের হাতে আটকের শিকার হয়েছেন। সাংবাদিকরা একে পুলিশের একটি “বিপজ্জনক প্রবণতা” হিসেবে অভিহিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, পুলিশ নিজেই নির্ধারণ করছে কে সাংবাদিক আর কে নয়।
নিউজলন্ড্রির সাংবাদিক আস্থা তার সহকর্মী অনমোল প্রীতমকে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “একজন পুলিশ সদস্যের কে সাংবাদিক আর কে নয়, তা নির্ধারণ করা—আমার মনে হয় এটা সাংবাদিকতার জন্য সত্যিই বিপজ্জনক।” আস্থা আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ তাকে আটক করে বাসে তোলার পর সেখানে থাকা এক ব্যক্তি তাকে অশালীনভাবে স্পর্শ করেন। তিনি চিৎকার করলে ও বাধা দিলে লোকটি পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, “এরপর তাকে আর বাসে দেখা যায়নি।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, আটক করার যানবাহনের ভেতরে নারীদের নিরাপত্তা পুলিশ কীভাবে নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়ার সদস্যরা একটি মৌন মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও আটকের কঠোর নিন্দা জানানো হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি সঙ্গীতা বরুয়া পিশারোটি সাংবাদিকদের পরিচয় শনাক্তকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্র বা পুলিশ কীভাবে ঠিক করবে কে সাংবাদিক? এটাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।” তিনি উল্লেখ করেন যে, বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় অনেক সাংবাদিকের কাছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) কার্ড দেখতে চাওয়া হয়েছে। তিনি এই সভাকে একটি গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের সাথে কী করা উচিত নয় তা নথিভুক্ত করার উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
৬৬ নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানি ও আটকের শিকার হওয়া বেশ কয়েকজন সাংবাদিক মঙ্গলবার তাদের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। একে পুলিশের “বিপজ্জনক প্রবণতা” হিসেবে অভিহিত করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ,পুলিশই ঠিক করে দেয় কে সাংবাদিক আর কে নয়। সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাব অফ ইন্





