হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কুয়ালালামপুর থেকে আসা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ দশমিক ৫ কেজি ওজনের স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। আটককৃত যাত্রীর নাম ইয়াং ডন সিউ (৪৩), যিনি মালয়েশিয়ার নাগরিক। উদ্ধারকৃত ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধতার এই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
রোববার গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইট নম্বর এম এইচ ০১৯৬ যোগে ঢাকায় পৌঁছান এই যাত্রী। তার পাসপোর্ট নম্বর এ৬১৮২৮০৮২। বিমান থেকে নামার পর তাকে নজরদারিতে রাখা হয় এবং গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাকে আলাদা করে তল্লাশি করা হয়। রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে তার শরীরে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় এই স্বর্ণবারগুলো পাওয়া যায়।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মধ্যে প্রতিটি এক কিলোগ্রাম ওজনের ৪টি এবং ১০০ গ্রাম ওজনের ৫টিসহ মোট ৯টি স্বর্ণের বার রয়েছে। যাত্রী এগুলো একটি কালো কাপড়ের বেল্টে মোড়িয়ে শার্টের নিচে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে বহন করছিলেন। তিনি কোনো প্রকার ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি এবং কাস্টমস আইন ২০২৩ ও ফরেন এক্সচেঞ্জ কন্ট্রোল এ্যাক্ট ১৯৪৭ অনুযায়ী কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ১৯১ ধারা অনুযায়ী স্বর্ণগুলো সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঢাকা কাস্টমস হাউস জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় অবৈধ স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে তারা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন সাড়ে ৪ কিলোগ্রাম। ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করলে বিমান হতে নামার পরে সন্দেহভাজন উক্ত যাত্রীকে নজরদারিতে রাখা হয়। যাত্রীগণ বেল্ট থেকে ব্যাগেজ সংগ্রহ করার পর গ্রিন চ্যানেল-১ অতিক্রমকালে উক্ত যাত্রীকে আলাদা করে গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশিকালে তার শরীরে বিশেষভাবে বহনকৃত উল্লিখিত পরিমাণ স্বর্ণবারের অস্তিত্ব পাওয়া যায় এবং আনুমানিক রাত ১.৪৫ মিনিটে উক্ত যাত্রীর শরীর থেকে স্বর্ণবারগুলো উদ্ধার করা হয়।





