জীবনযাত্রার ক্রমাগত ব্যয় বৃদ্ধি, জনসেবার নিম্নমান এবং প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ থেকে শনিবার ফের দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফরাসি আন্দোলনকারীরা। হ্যালোইন উৎসবের দিনে নতুন করে যেন সহিংসতা ছড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে পুরো ফ্রান্সে ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে তীব্র সহিংস আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। সে সময় একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও সরকারি ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। পূর্বের সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবার সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জরাজীর্ণ দশা, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নেমেছে। তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের কর্মীরা। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলনকারীরা ফের সক্রিয় অবস্থান গ্রহণ করেছে।





