ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের কাজীর শিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা একটি বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে কাত হয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী ইউনাইটেড পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস কাজীর শিমলা এলাকায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এরপর বাসটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি মাহিন্দ্রাকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা দেওয়ার পর বাসটি সামনে থাকা ময়মনসিংহমুখী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকেও আঘাত করে। সবশেষে বাসটি সড়কের পাশে অবস্থিত প্যাসিফিক আইডিয়াল হাইস্কুলের সীমানাপ্রাচীরে সজোরে ধাক্কা খেয়ে কাত হয়ে পড়ে থাকে।
দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মাহিন্দ্রার দুই পুরুষ যাত্রীকে উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া দুর্ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন নারী ও এক পুরুষ যাত্রীসহ দুই মাহিন্দ্রা ও সিএনজির চালক এবং আরও কয়েকজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছেন।
ত্রিশাল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিম জানান, দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন এবং তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।





