পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে যোগদানের জন্য ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি আগ্রহী দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেননি।
ইসহাক দার জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই জোটটি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো সদস্যের আবেদন বিবেচনা করা হবে না। চুক্তির কাঠামো ও কার্যক্রম পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে। তিনি আরও জানান, জোটটির প্রথম বৈঠক ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সৌদি আরবে এর সদর দফতর স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। পাকিস্তানের লেফটেনেন্ট জেনারেল (অব.) নওমান মাহমুদকে জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যা অনেকটা ন্যাটোর প্রতিরক্ষা নীতির অনুরূপ।
বর্তমানে সৌদি আরবকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার পর এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে বড় ধরনের পরীক্ষা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে রিয়াদে জোটের কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর তিন দেশের সামরিক প্রধানরা রিয়াদে বৈঠক করে হুথি হামলার নিন্দা জানান এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।





