যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানি নারীরা

Published: September 29, 2026, 3:38 am

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ক্রমাগত হুমকির মুখে ইরানের নারীরা এখন অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছেন। রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রীয় ইমাম হোসেইন স্কয়ারে ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’ শীর্ষক একটি গণঅভিযানের আওতায় নারীদের সামরিক ও প্রাথমিক চিকিৎসার মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গত বুধবার এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়, যেখানে বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডার হোজ্জাতুল ইসলাম হোসেইন তাইয়েব উপস্থিত ছিলেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চের শেষ দিকে তৃণমূল পর্যায়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। মূলত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ‘জনগণের প্রতিরক্ষা’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই কার্যক্রমের শিকড় ১৯৮০-এর দশকের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়কার প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। তেহরান থেকে আরটি’র প্রতিবেদক সামান কোজুরি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে নতুন করে হুমকি আসার পর থেকে বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের আগ্নেয়াস্ত্র, ছোট ড্রোন এবং কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রাথমিক কলাকৌশল শেখানো হচ্ছে। একইসঙ্গে তাদের কৌশলগত চিকিৎসাবিদ্যার ওপরও প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরবর্তী পর্যায়ে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin