জাতিসংঘে বাংলাদেশের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

Published: September 22, 2026, 4:05 am

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় 'হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক' হোটেলের লবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

মাহ্দী আমিন জানান, দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন। তিনি বলেন, 'দেশপ্রেম, আবেগ, অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প কী হওয়া উচিত, কীভাবে বাংলাদেশের স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে, সেগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।'

এই সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘের অধিবেশনে আমন্ত্রিত হয়েছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে তাদের মতোই দেশপ্রেমকে ধারণ করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। আগামী বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ উপস্থাপন করবেন।

সফরের ব্যাপ্তি সম্পর্কে মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী এবার অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সফরে নিউইয়র্কে এসেছেন। যাতায়াতের সময় বাদ দিলে তিনি চার কর্মদিবস নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন এবং বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বহরও অত্যন্ত ছোট; আনুষ্ঠানিকভাবে এতে ৩৫ জন সদস্য রয়েছেন এবং এর বাইরে কেবল অত্যাবশ্যকীয় মিডিয়া, নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্টাফরা সঙ্গে আছেন।

মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হবে। সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আগে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে একটি 'ওয়েলকাম ব্রেকফাস্ট রিসেপশনে' যোগ দেবেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা সম্পর্কে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদান, তাই আলাদা করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সুযোগ কম। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin