তারাগঞ্জে ৭ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে খানাখন্দ, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

Published: October 18, 2026, 1:16 pm

দীর্ঘদিন সংস্কার না থাকায় রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ধোলাইঘাট বাজার থেকে পীরপাড়া মোড় পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার সড়ক বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। কার্পেটিং উঠে গিয়ে পুরো রাস্তা জুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যাতায়াত অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চালকদের পোহাতে হচ্ছে মারাত্মক ভোগান্তি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের অধিকাংশ স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ভেতরের মাটি ও খোয়া বেরিয়ে এসেছে। সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্ত এড়াতে অটোরিকশা, ইজিবাইক, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চালকদের পথ চলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে এসব গর্ত পানিতে ঢেকে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এতে শুধু সাধারণ যাতায়াতই বিঘ্নিত হচ্ছে না, যানবাহন চলাচলে স্বাভাবিকের চেয়ে সময়ও অনেক বেশি লাগছে।

স্থানীয় বাসিন্দা লাভলু হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে যায়। তখন কোনটা গর্ত আর কোনটা রাস্তা বোঝা যায় না। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা দরকার।’ এলাকাবাসী জানান, সড়কটি সয়ার ও আলমপুর ইউনিয়নের অধিবাসীদের জন্য পার্শ্ববর্তী সৈয়দপুর উপজেলায় যাতায়াতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন এ পথ দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পেশার চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনের নিত্যদিনের যাতায়াত এবং উৎপাদিত পণ্য পরিবহনেও সড়কটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।

গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান জানান, আলমপুর ইউনিয়নের সড়ক দুটি ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh