ছুটির দিন শুক্রবার সকালে রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টি নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। সকালে যারা বাইরে বের হয়েছেন, তাদের অনেকের হাতেই ছাতা ছিল। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও কোথাও কোথাও সড়কে পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল কিছুটা ধীর হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতা ও যানজটের আশঙ্কা রয়েই গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এই সময়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সিলেটের কোনো কোনো স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনায়, ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে সিলেটে সর্বোচ্চ ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।





