মালয়েশিয়ায় দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ওপরই জোর দিচ্ছে সরকার: শ্রমমন্ত্রী

Published: October 4, 2026, 11:17 am

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার এবার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অতীতের সিন্ডিকেট ও হয়রানির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নিয়োগদাতাদের সুনির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে বন্ধ থাকা শ্রমবাজারটি পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এবার অনিয়ম ও হয়রানি রোধে প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী বোয়েসেল এবং অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানো হবে। এর আগে চাহিদার প্রকৃতি নির্ধারণ করা হবে এবং সেই অনুযায়ী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। প্রশিক্ষণহীন শ্রমিক পাঠালে তারা বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে আরিফুল হক চৌধুরী আরও জানান, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতারা বাংলাদেশে এসে সরাসরি তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বাছাই করবেন। এরপরই পাঠানোর পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হবে। তবে মেডিকেল পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এখনো অনুমোদিত হয়নি এবং মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে চাহিদা নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে, বিদেশে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে চাকরির সুযোগ বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে চলতি বছরেই এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার চালু করা হবে। এর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইনে চাকরিপ্রার্থী এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী চাহিদার তথ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ডাটাবেস তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চলতি মাসের মধ্যেই সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে বলেও জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin