এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম খতিয়ে দেখার নির্দেশ

Published: September 30, 2026, 12:05 pm

দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, তবুও বিভিন্ন এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আয়োজিত এক অনলাইন বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কেন বিভিন্ন এলাকায় সংকট দেখা দিচ্ছে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হচ্ছে, তা অনুসন্ধান করে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। কোথাও সরবরাহে ঘাটতির প্রকৃত কারণ থাকলে সেটিও চিহ্নিত করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের পাঠানো এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেসব এলাকায় প্রকৃতই সরবরাহে ঘাটতি পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ইকবাল হাসান মাহমুদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়ানো হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের অধিকতর সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। আমদানিকারকরা সরবরাহে বড় ধরনের কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করলেও, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খুচরা বাজারে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ আসছে। অনেক ক্ষেত্রে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin