নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সূচি নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা ১৩ নভেম্বর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে এবং ১৭ নভেম্বর খেলবে কোস্টারিকার বিপক্ষে। তবে এই দুই ম্যাচে দলের নিয়মিত অধিনায়ক ও তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি থাকছেন না। মেসির অনুপস্থিতিতে নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া এবং দলের সামগ্রিক শক্তিমত্তা যাচাই করাই হবে কোচ স্কালোনির প্রধান লক্ষ্য।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) ম্যাচ দুটির ভেন্যুও চূড়ান্ত করেছে। ১৩ নভেম্বর উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বুয়েনস এইরেসের লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে। এছাড়া ১৭ নভেম্বর কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে কর্দোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে লা বোম্বোনেরাতে উরুগুয়ের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা, তাই এই ম্যাচটি আলবিসেলেস্তেদের জন্য প্রতিশোধের সুযোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
দল গঠনে কিছু জটিলতাও রয়েছে। ক্লাবের ব্যস্ত সূচির কারণে বোকা জুনিয়র্সের মিল্টন দেলগাদো ও লিওনেল ফ্লোরেসকে পাওয়া যাচ্ছে না, কারণ ২১ নভেম্বর কোপা সুদামেরিকানার ফাইনাল খেলবে তাদের ক্লাব। এছাড়া লিয়ান্দ্রো পারেদেস নিষেধাজ্ঞার কারণে দলে থাকতে পারছেন না; বিশ্বকাপ ফাইনালের পর স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে পাওয়া শাস্তির অংশ হিসেবে তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে।
চলতি বছর আর্জেন্টিনা দেশের মাটিতে জাম্বিয়া ও মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল। এছাড়া সেপ্টেম্বরে কর্দোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লক্ষ্যেই কোস্টারিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কালোনির দল। বেনিন ম্যাচের পর মেসিকে ছাড়া এটিই হবে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ, ফলে চূড়ান্ত স্কোয়াড নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্কালোনি দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।





