রক্ষণাবেক্ষণ শেষে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু সামিট টার্মিনালের

Published: November 8, 2026, 7:55 am

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই কাজের ফলে প্রায় চার দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় জাতীয় গ্রিডে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে আমদানি করা এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় এখন মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের স্বাভাবিক নিয়মে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এই সময়ে গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য পেট্রোবাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

এর আগে, সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। সেই সময়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরুর আগে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়িয়েছিল, তাকে পেট্রোবাংলা ‘গুজব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। সংস্থাটি তখন স্পষ্ট করেছিল যে, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হবে না, তবে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে—যার একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি। সামিটের টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এর আগেও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করা হয়েছিল।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh