সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ৬ থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত এই ধারাবাহিক হামলার ফলে সৌদি আরবের বিমান চলাচল ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।
হামলার ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। হতাহতদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক মোহাম্মদ ইউসুফ এবং বাংলাদেশের আলেম মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরের নাম নিশ্চিত করা হয়েছে। ওমরাহযাত্রী ও বিদেশি কর্মীসহ বহু বেসামরিক মানুষ এই হামলার শিকার হওয়ায় সৌদি আরবের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল অর্থ ব্যয় করে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুললেও সব ধরনের হামলা ঠেকানো যে সম্ভব নয়, এই ঘটনা তা পুনরায় প্রমাণ করেছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে হুথিদের সামরিক কৌশল এবং সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যেও এসব ঘটনার প্রভাব ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৩: ১০আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৩: ১৩ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।





