ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনার একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে হামলার জন্য ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। গত মঙ্গলবারের ওই হামলায় কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়নি। উল্লেখ্য, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি জোট দাবি করেছে যে, হামলার তদন্ত এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে তারা হুথিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে। জোটের ভাষ্যমতে, মদিনার এই হামলা মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীকে লক্ষ্য করে হুথিদের ধারাবাহিক অপচেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জোটটি অভিযোগ করেছে।
তবে সৌদি জোটের এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীটির পরিচালিত সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে একজন সামরিক কর্মকর্তা এই অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, মক্কায় হামলার অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেই বিষয়টি আড়াল করতেই মদিনার এই হামলার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সৌদি জোট জানিয়েছে, তারা খামিস মুশাইতের আকাশে হুথিদের ছোড়া চারটি ড্রোন এবং খামিস মুশাইত ও জাজানের আকাশে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি বড় অংশ তাইজে আশ্রয় নিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত সেখানে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯০৬ জন বাস্তুচ্যুত মানুষের নাম নিবন্ধিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৫১৯টি পরিবারের সদস্য রয়েছে। তাইজে ৯৭ হাজারের বেশি এবং লাহিজে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।





