কোনো শিশু নিখোঁজ হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত শিশু নিখোঁজ হওয়ার পরের প্রথম এক ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে দ্রুত অনুসন্ধান শুরু করা উচিত।
অনুসন্ধানের শুরুতে শিশুকে সর্বশেষ কোথায় এবং কার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এরপর বাড়ি, ছাদ, সিঁড়ি, গলি, খেলার জায়গা, পার্ক, দোকান এবং বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের সম্ভাব্য সব স্থানে দ্রুত তল্লাশি চালাতে হবে। অনুসন্ধান দ্রুত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে বিভিন্ন দিকে পাঠানো যেতে পারে।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এই ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়তা করতে পারে। এছাড়া স্থানীয় ও বিশ্বস্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপগুলোতে শিশুর ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রচার করা যেতে পারে। তবে পূর্ণ ঠিকানা বা জন্মনিবন্ধন নম্বরের মতো অত্যন্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করাই শ্রেয়। পাশাপাশি নিকটবর্তী হাসপাতাল, ক্লিনিক, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে খোঁজ নেওয়া জরুরি।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়া মানেই যে সবসময় অপহরণ বা পাচার, তা নয়। পথ হারানোসহ বিভিন্ন কারণেও শিশুরা নিখোঁজ হতে পারে।





