এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ইনিংসের শুরুতে ভারতীয় দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি বর্মা বেশ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। পেসার মারুফা আক্তারের করা প্রথম ওভার থেকে আসে ৬ রান। দ্বিতীয় ওভারে স্পিনার সানজিদা আক্তারের ওপর চড়াও হয়ে ১৩ রান তুলে নেয় ভারত। ২ ওভার শেষে বিনা উইকেটে ১৯ রান তুলে দারুণ সূচনা পায় তারা।
তবে সপ্তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন স্পিনার নাহিদ আক্তার। নাহিদের বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে সোবহানা মোস্তারির হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন স্মৃতি মান্ধানা। সাজঘরে ফেরার আগে তিনি ১৯ বলে ৩৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই ইনিংস খেলার পথেই নারী আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন মান্ধানা। নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকে (৪৭৫৮ রান) ছাড়িয়ে ৪৭৬৫ রান নিয়ে এখন তিনিই এই সংস্করণের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক।
মান্ধানার বিদায়ের পর উইকেটে এসে থিতু হতে পারেননি গুনালান কামালিনি। বেশ কয়েকটি ডট বল খেলার পর সানজিদা আক্তারের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে রাবেয়া খানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে কামালিনি বিদায় নিলেও অন্য প্রান্ত আগলে রেখে তাণ্ডব চালাতে থাকেন শেফালি বর্মা। মাত্র ২৪ বলে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন এই ভারতীয় ওপেনার। ১০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৯৭ রান।
ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনের বিপক্ষে বাংলাদেশের অতীত রেকর্ড খুব একটা ভালো নয়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ভারতের বিপক্ষে জয়ের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারতের শক্ত ব্যাটিং লাইনআপকে বাগে আনতে বাংলাদেশি বোলারদের দারুণ বোলিংয়ের বিকল্প নেই।
ভারত: ১০ ওভারে ৯৭/২১০ বলে ৩ রান করে ফিরলেন গুনালান কামালিনি।
ফিফটি করেছেন মাত্র ২৪ বলে।.ভারত: ৭ ওভারে ৭৫/১১৯ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ফিরলেন ভারতীয় ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা।





