ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা ও নিয়মিত ভাতা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে প্রতি চার মাস পর পর ক্রীড়াবিদদের তালিকা মূল্যায়ন ও হালনাগাদ করা হবে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই বরাদ্দের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া সড়ক, রেল ও আকাশপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ক্রীড়াবিদদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে এবং তারা যেন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ক্রীড়া কার্ডের আওতায় এনে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই সংখ্যা ৫০০ জনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। যোগ্যতা ও পারফরম্যান্স বিবেচনা করে নতুন খেলোয়াড়দের এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, খুব শিগগিরই নতুন করে আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যে পারফরম্যান্সের কারণে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রতি চার মাস পর পর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে তালিকাটি হালনাগাদ করা হবে, যেখানে অযোগ্যরা বাদ পড়বেন এবং যোগ্য নতুন খেলোয়াড়রা যুক্ত হবেন।
এদিকে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার বিষয়টিও এই সভায় আলোচনায় আসে। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ সে সময় বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি বলে আগেই জানানো হয়েছিল। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক থাকবে।





