পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) তাদের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক পরিষদের সংসদীয় দলের সঙ্গে পরামর্শ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে, নাকি রাজপথে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হবে—সেই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
গত সোমবার অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তাদের আস্থায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আজ সোমবার প্রাদেশিক পরিষদের সংসদীয় দলের এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পিটিআইয়ের নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের এই প্রক্রিয়ায় প্রাদেশিক আইনপ্রণেতাদের সরাসরি যুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে নতুন করে সংলাপ শুরু করা হবে, নাকি প্রতিবাদের কৌশল নেওয়া হবে—সে বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে।
কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, আলোচনা ও আন্দোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব দলটির কেন্দ্রীয় বা রাজনৈতিক কমিটির পরিবর্তে এখন প্রাদেশিক সংসদীয় দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এই তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা। তাদের ভাষ্যমতে, দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারবিরোধী আন্দোলন কিংবা সংলাপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব মাহমুদ খান আচাকজাই ও আল্লামা রাজা নাসির আব্বাসকে দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ১৮আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ২২





