রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি: আইনমন্ত্রী

Published: September 17, 2026, 7:02 am

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে সরকার রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি প্রদর্শন করছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মার্কিন দূতাবাস ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে। এছাড়া নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাদের অন্তর্ভুক্তি সাংবিধানিক শাসনেরই প্রতিফলন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১৭৮৭ সালে গৃহীত মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর বেশ মিল রয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ বা জুডিশিয়াল রিভিউ তত্ত্ব প্রয়োগ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও একই ধরনের এখতিয়ার অনুশীলন করে থাকে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সবসময় স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার অনুপ্রেরণা পায়। তিনি অতীতে বিএনপির ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মীর রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করে জানান, সেই সময় প্রায় ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়ের করেছিল।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মার্কিন সংবিধানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা এবং ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবিধানে নতুন সংশোধনী যুক্ত করার অধিকারের ওপর গুরুত্ব দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি টেকসই ভিত্তি পেয়েছে। রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin