প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ২৩। নয়াদিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানকে ১২৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ভারত। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।
বাঁহাতি ব্যাটার অভিষেক শর্মা শুরু থেকেই আফগান বোলারদের ওপর চড়াও হন। মাত্র ১৬ বলে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠবারের মতো অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এরপর আরও মারমুখী হয়ে পরের ৫০ রান করতে মাত্র ১৪ বল খরচ করেন। সব মিলিয়ে ৩০ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ১১টি ছক্কা। এটি টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি এবং সব মিলিয়ে তৃতীয় দ্রুততম।
অভিষেকের সঙ্গে সঞ্জু স্যামসন ১৪২ রানের জুটি গড়েন। স্যামসন ৩৫ বলে ৫০ রান করেন। পাওয়ারপ্লেতে এই জুটি ১০০ রান তুলে নেয়, যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ষষ্ঠ দ্রুততম পাওয়ারপ্লে শতরান। অভিষেক আউট হওয়ার পর শ্রেয়াস আইয়ার ২৯, শিবম দুবে ১৪ এবং ইশান কিষান ১০ রান করেন।
রান তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান ২৫ এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই ১৭ রান করলেও দলের অন্য ব্যাটাররা ব্যর্থ হন। মাত্র ১৪.১ ওভারে ৯৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা। ভারতের হয়ে নীতিশ কুমার রেড্ডি ও রবি বিষ্ণোই তিনটি করে উইকেট নেন এবং অক্ষর প্যাটেল দুটি উইকেট শিকার করেন।
এই ১২৭ রানের জয় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১২ সালে কলম্বোয় ইংল্যান্ডের কাছে তারা ১১৬ রানে হেরেছিল। এছাড়া ভারতের বিপক্ষে ৯৪ রানে অলআউট হয়ে তারা নিজেদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডও গড়েছে। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১০০ বা তার বেশি রানে জয়ের সংখ্যা ১০-এ নিয়ে কানাডার সাথে যৌথভাবে শীর্ষে এখন ভারত।





