বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি আরও ঘনীভূত হয়ে আগামীকাল সোমবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে ‘অর্ণব’। তবে যদি আরব সাগরে সক্রিয় থাকা অন্য একটি লঘুচাপ আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়, তবে সেই নামটিও অভিন্ন থাকবে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটি ১৫.৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০.৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। সেই সময় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কি.মি., কক্সবাজার থেকে ৬৫৫ কি.মি., মোংলা থেকে ৭৬০ কি.মি. এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০০ কি.মি. দক্ষিণে ছিল। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-০১) চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। এছাড়া ২৯ অক্টোবর থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।





