শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার পর পল্লবী ও রূপনগর এলাকার মন্দিরগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী ও রূপনগর এলাকার মোট পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। পরিদর্শনের সময় বেরিবাঁধের রূপনগরস্থ গোড়ান চটবাড়ী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, এই মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। পূজা শেষেই এর সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষকে একটি পরিবারের মতো মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষই বাংলাদেশের এক অভিন্ন পরিবারের সদস্য। প্রত্যেকের ধর্মীয় উৎসব যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হতে পারে, সে জন্য পরস্পরের প্রতি সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করা প্রয়োজন।
দুর্গোৎসবের আনন্দ যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনভিপ্রেত ঘটনার কারণে ব্যাহত না হয়, সে জন্য উপস্থিত সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান আমিনুল হক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি অতীতেও পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও সবসময় তাদের পাশে থাকবেন। পরিদর্শনকালে তিনি রূপনগরের গোড়ান চটবাড়ী মন্দির ছাড়াও ইস্টার্ন হাউজিংয়ের আলুব্দি পূজামণ্ডপ, বৃন্দাবন মন্দির, উত্তর কালশী মন্দির এবং বাউনিয়াবাদ মন্দির ঘুরে দেখেন।





