রাজধানীর রামপুরা ও খিলগাঁও এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান চালিয়ে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মো. আল-আমিন ওরফে পিচ্চি আল-আমিন এবং তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, ১৪ রাউন্ড গুলি ও দুটি দেশীয় ছুরি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকার একটি বাসা থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ২১৬টি অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকুসহ এস এম রবীন নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। এ সময় তিনি জানান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য বাহিনীর মতো এসআরবি ফোর্সেসও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালায় এসআরবি। সেখান থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী পিচ্চি আল-আমিন এবং তার দুই সহযোগী কামাল উদ্দিন ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও ৫ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে পিচ্চি আল-আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিনই সন্ধ্যা ৬টায় রামপুরার কুঞ্জবন এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখান থেকে লোহার তৈরি দুটি দেশীয় ছুরিসহ আল-আমিনের আরও দুই সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার মামুন ও মো. রিফাত ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে পিচ্চি আল-আমিন স্বীকার করেন যে, তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কাওছার খানের কাছে আরও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রামপুরার কুঞ্জবন এলাকা থেকে কাওছারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে কাওছারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খিলগাঁও থানার ভূঁইয়াপাড়া এলাকার শফিকের একটি টিনশেড ঘরের ভেতর থেকে একই দিন রাত সাড়ে ৮টায় একটি বিদেশি রিভলবার, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার পিচ্চি আল-আমিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, হাতিরঝিল ও গুলশান থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, হত্যা ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। তিনি গত ১২ জুন হাতিরঝিল থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে হকাইল্লা পলাশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তবে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, গত ৩ অক্টোবর রাতে এসআরবি-২ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন লাবনী পয়েন্ট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ১৮০টি ঈগল মডেলের, ২০টি চিতা মডেলের, ১২টি মাছরাঙ্গা মডেলের এবং ৪টি কমবোর্ড মডেলের মোট ২১৬টি অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে এই চাকুর অবৈধ মজুতদার ও সরবরাহকারী এস এম রবীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-২ এর অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান এবং এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যায় এসআরবি ফোর্সেসও দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসআরবি এর গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালিয়েছে। তিনি জানান, গত ১লা অক্টোবর দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানাধীন টিভি রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ
গ্রেপ্তারকৃত পিচ্চি আলামিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৬ টার সময় রাজধানীর রামপুরা থানাধীন কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিচ্চি আলামিনের অপর ২ জন সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার মামুন এবং মো. রিফাত ইসলামকে ০২টি দেশীয় অস্ত্র (লোহার তৈরি ছুরি) সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত পিচ্চি আলামিনকে প্রাথ





