প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ৫৭। মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে তাকে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার একটি অবাস্তব ও ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ-এর নজরে আসার পর তিনি তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ভুক্তভোগী গ্রাহকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন এবং এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে গ্রাহককে আশ্বস্ত করেন। ইতিমধ্যে বিলটি সংশোধন করে সঠিক বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন। ভবিষ্যতে যেকোনো সমস্যা সরাসরি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য তিনি গ্রাহকের প্রতি অনুরোধ জানান।
এই ঘটনায় চরম দায়িত্বহীনতা ও অমার্জনীয় গাফিলতির অভিযোগে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার বিদ্যুৎ মন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ঘটনার পর মন্ত্রী তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মিটার পরিবর্তনের সময় যান্ত্রিক বা টাইপিংয়ের ভুলে সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসে যাওয়ার কারণে এমন অবিশ্বাস্য অংকের বিল তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী।





