জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত ‘সৌর বিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এবং পাঁচ বছর পর তাদের পুনরায় জনগণের কাছে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে। তাই জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি—উভয়ের লক্ষ্যই জনগণের সেবা করা উল্লেখ করে তিনি সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে দ্রুত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের পাশাপাশি গ্রামীণ পর্যায়ে বাড়ির ছাদেও সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করতে হবে। দিনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে সংরক্ষণ করে রাতে ব্যবহার করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমবে।
সভায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, পদায়ন ও পদোন্নতিতে সততা ও কর্মদক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। তিনি মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিজ কর্মস্থলকে নিজের এলাকা মনে করে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে সব পরিবার ও কৃষকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে এবং সার ডিলারের তালিকা যাচাই শেষে দ্রুত লাইসেন্স ইস্যু করা হবে।
সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌরসভার প্রশাসকরা অংশ নেন।





