ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল সরকার

Published: October 21, 2026, 4:19 am

ফ্রান্সে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভ ও লুটপাটের ঘটনার পর আগামী শনিবারের সম্ভাব্য বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনিয়েজ জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় পরিষদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সহিংসতা দমনে সেন্তিনেল বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী জেন্ডার্মস সদস্যদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান দায়িত্বে পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকোর্নু জানিয়েছেন, শনিবারের বিক্ষোভে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। কট্টর বামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষা খাতে বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভের সুযোগ নিচ্ছে এই গোষ্ঠীগুলো। কিছু এলাকায় তাদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের তৎপরতাও লক্ষ্য করা গেছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এসব গোষ্ঠীকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন অভিমুখে কোনো মিছিল করতে দেওয়া হবে না।

এদিকে, গত সোমবার সেন্ট্রাল প্যারিসসহ ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়ের কিছু এলাকা এবং আরও কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি করে বিক্ষোভ ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে মার্সেইয়ের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কারফিউ কার্যকর করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মার্সেই শহরে ১০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জাতীয় পরিষদে তিনি বলেন, সহিংসতা দমনে সেন্তিনেল বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে, যাতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী জেন্ডার্মস সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে মনোযোগ দিতে পারেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh